পরিবেশ ও উন্নয়ন Environment and Development PART-3

পরিবেশ ও উন্নয়ন Environment and Development PART-3 – পরিবেশ ও উন্নয়নের সম্পর্কটি হলো এমন যে, ঐতিহাসিকভাবে অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য প্রায়শই পরিবেশের ক্ষতি হয়েছে। তবে, আধুনিক ধারণা অনুযায়ী এই দু’টিকে একে অপরের পরিপূরক হিসেবে দেখা হয়।

এর মূল ধারণাটি হলো টেকসই উন্নয়ন (Sustainable Development)। এর লক্ষ্য হলো এমনভাবে উন্নয়ন করা, যা বর্তমান প্রজন্মের চাহিদা পূরণ করবে, কিন্তু একই সাথে পরিবেশের সুরক্ষা বজায় রেখে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের চাহিদার সক্ষমতা নষ্ট করবে না। সহজ কথায়, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও পরিবেশ সুরক্ষার মধ্যে একটি ভারসাম্য রক্ষা করা।

READ MORE – পরিবেশ ও উন্নয়ন Environment and Development PART-2

পরিবেশ ও উন্নয়ন Environment and Development PART-3

101) তাপদূষণের একটি উদাহরণ দাও।

উত্তর:- তাপবিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে ব্যবহৃত উত্তপ্ত জলকে সাধারণ জলাশয়ে নিক্ষেপ করলে জলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায় এবং জলাশয়ে তাপদূষণ ঘটে।

102) ফুরাইড দূষণ থেকে সৃষ্ট একটি রোগের নাম বলো।

উত্তর:- ফ্লুরাইড দূষণ থেকে সৃষ্ট একটি রোগ হল-ফ্লুরোসিস।

103) একটি বিষাক্ত ভারী ধাতুর নাম বলো।

উত্তর:- একটি বিষাক্ত ভারী ধাতু হল-পারদ।

104) আর্সেনিক দূষণের ফলে সৃষ্ট একটি রোগের নাম লেখো।

উত্তর:- আর্সেনিক দূষণের ফলে সৃষ্ট রোগ হল-ব্ল‍্যাকফুট ডিজিজ।

105) ফ্লুরাইড দূষণ-এর একটি উৎসের নাম বলো।

উত্তর:- কাচ শিল্প, ফসফেট সারের কারখানা প্রভৃতি থেকে ফ্লুরাইড দূষণ সৃষ্টি হয়।

106) প্রথম তৈরি অর্গানোক্লোরিন কীটনাশকের নাম কী?

উত্তর:- প্রথম তৈরি অর্গানোক্লোরিন কীটনাশক হল-DDT।

107) তরল অ্যামোনিয়ার একটি ব্যবহার লেখো।

উত্তর:- কোল্ড স্টোরগুলিতে হিমায়করূপে তরল অ্যামোনিয়া ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

108) একটি অর্গানোক্লোরিন কীটনাশকের উদাহরণ দাও।

উত্তর:- একটি অর্গানোক্লোরিন কীটনাশক হল-DDT (ডাইক্লোরো-ডাইফিনাইল ট্রাইক্লোরোমিথেন)।

109) মানুষের শরীরের উপর সিসার একটি বিরূপ প্রভাবের উল্লেখ করো।

উত্তর:- মানুষের শরীরের উপর সিসার একটি বিরূপ প্রভাব হল-শিশুদের স্নায়ুতন্ত্র ও মস্তিষ্কের বিকাশ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া।

110) নেফ্রোটক্সিক (Nephrotoxic) ধাতু কাকে বলে?

উত্তর:- যেসকল ধাতু কিডনি বা নেফ্রনের ক্ষতি করে তাদের নেফ্রোটক্সিক ধাতু বলে।

111) বর্জ্য (Waste) কী?

উত্তর:- যে বস্তুকে মানুষ বর্জন করতে আগ্রহী তাকেই (Waste) বর্জ্য বলা হয়। সে হিসেবে দৈনন্দিন জীবনে পরিত্যক্ত নানা জৈব ও অজৈব পদার্থ, কলকারখানা তথা শিল্পাঞ্চলের পরিত্যক্ত তরল ও কঠিন বস্তুকে বর্জ্য বস্তু বলা যায়।

112) বর্জ্য পদার্থ কয় প্রকার ও কী কী?

উত্তর:- বর্জ্য পদার্থ পাঁচ প্রকার, যথা- (ⅰ) জঞ্জাল/আবর্জনা, (ii) প্যাথোলজিক্যাল বর্জ্য পদার্থ, (iii) রাবিশ, (iv) কলকারখানার বর্জ্য এবং (v) কৃষিক্ষেত্রের বর্জ্য।

113) পৌর শক্ত আবর্জনার একটি উদাহরণ দাও।

উত্তর:- পৌর শক্ত আবর্জনার উদাহরণ হল-নির্মাণ কাজের প্রয়োজনে ভেঙে ফেলা কঠিন ইস্পাত দ্রব্যসামগ্রী।

114) দুটি সজীব মৃত্তিকাদূষকের নাম লেখো।

উত্তর:- দুটি সজীব মৃত্তিকাদূষকের নাম হল- রোগসৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস।

115) দুটি অজীব মৃত্তিকাদূষকের নাম লেখো।

উত্তর:- দুটি অজীব মৃত্তিকাদূষকের নাম হল- কীটনাশক ও পারদ।

116) স্থলদূষণের কারণগুলি কী কী?

উত্তর:- স্থলদূষণের কারণগুলি হল- (a) অম্লত্ব বৃদ্ধি, (b) লবণাক্ততা বৃদ্ধি (c) কৃষি-রাসায়নিক পদার্থের প্রয়োগ এবং (d) ধাতব পদার্থমিশ্রিত জলদ্বারা দূষণ।

117) ‘Secure landfill’ কী?

উত্তর:- ‘Secure Landfill’- বলতে শহরাঞ্চলের পাশের কোনো নির্দিষ্ট এলাকাকে বোঝানো হয় যেখানে গর্ত খুঁড়ে পৌর আবর্জনা দ্বারা তা ভরতি করা হয় এবং সবশেষে মাটি দ্বারা ভরাট করে স্বাস্থ্যপ্রদভাবে পৌরবর্জ্যের বিনষ্টকরণ করা হয়।

118) শব্দদূষণ কাকে বলে?

উত্তর:- মাত্রাতিরিক্ত অনিয়ন্ত্রিত শব্দ যা মানুষের শারীরবৃত্তীয় কাজকর্মকে প্রভাবিত করে এবং বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে, তাকে শব্দদূষণ বলে।

119) বেল কী?

উত্তর:- শব্দ ও প্রমাণ শব্দের তীব্রতার অনুপাতের লগকে (log) বেল (Bell) বলে। এক ডেসিবেল = 0.1 বেল।

120) শব্দের তীব্রতা মাপার একক কী?

উত্তর:- শব্দের তীব্রতা পরিমাপের একক হল ডেসিবেল (dB)।

121) শব্দদূষণের একটি প্রধান কারণ উল্লেখ করো।

উত্তর:- শব্দদূষণের প্রধান কারণ হল যানবাহনের শব্দ।

122) শব্দদূষণ থেকে উৎপন্ন একটি রোগের নাম লেখো।

উত্তর:- শব্দদূষণ থেকে উৎপন্ন একটি রোগ হল-বধিরতা।

123) উচ্চগ্রামের শব্দ মানুষের দেহে কী কী প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে?

উত্তর:- উচ্চগ্রামের শব্দ মানুষের দেহে মাথাধরা, বধিরতা, বমিভাব, উচ্চ রক্তচাপ, আচ্ছন্নতা ইত্যাদি সৃষ্টি করে।

124) স্থায়ী বধিরতা এনে দেয় কোন্ শব্দ উৎস?

উত্তর:- একটানা বা বার বার 100 ডেসিবেল ক্ষমতাসম্পন্ন শব্দ উৎস স্থায়ী বধিরতা এনে দেয়।

125) কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্যদের নির্ধারিত মান অনুযায়ী বসতি অঞ্চলে দিন ও রাতের শব্দ সীমা কত?

উত্তর:- কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের মান অনুযায়ী বসতি অঞ্চলে দিনে 50 ডেসিবেল ও রাত্রে 45 ডেসিবেল শব্দ সীমা হওয়া উচিত।

126) হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রভৃতির কত দূরত্ব পর্যন্ত নীরব অঞ্চল ঘোষণা করা হয়ে থাকে?

উত্তর:- হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রভৃতির 100 মিটার দূরত্ব পর্যন্ত নীরব অঞ্চল ঘোষণা করা হয়ে থাকে।

127) উচ্চগ্রামে রক সংগীতের ডেসিবেল মাত্রা কত?

উত্তর:- উচ্চগ্রামে রক সংগীতের ডেসিবেল মাত্রা 117 হয়ে থাকে।

128) এল-নিনো (EI-Nino) কী?

উত্তর:- দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে চিলির উপকূলে মাঝে মাঝে যে দক্ষিণমুখী অনির্দিষ্ট প্রকৃতির ও অস্থির উন্ন সমুদ্রস্রোত দেখা যায় তাকে এল-নিনো বলে।

129) ‘হারিকেন’ (Hurricane) ও ‘ঘূর্ণিঝড়’ (Cyclone) কী?

উত্তর:- আটলান্টিক, ক্যারিবিয়ান ও উত্তর-পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ঘূর্ণিঝড়কে ‘হারিকেন’ বলে।

ভারত মহাসাগরে ও অস্ট্রেলিয়ার চারপাশের ঘূর্ণিঝড়কে বলা হয় ‘সাইক্লোন’।

130) সুনামি (Tsunami) কী?

উত্তর:- সমুদ্রের গভীর তলদেশে টেকটনিক পাতের ঘর্ষণজনিত কারণে উদ্গত ভূমিকম্পের ফলে সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাসকে জাপানি ভাষায় ‘সুনামি’ বলা হয়। 2004 সালের 26 ডিসেম্বরের ভয়ংকর সুনামি উল্লেখযোগ্য।

131) পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড়কে কী বলা হয়?

উত্তর:- পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড়কে টাইফুন (Typhoon) বলে।

132) ধ্বংসাত্মক ভূমিকম্পের কম্পনশক্তি কত?

উত্তর:- ধ্বংসাত্মক ভূমিকম্পের কম্পনশক্তি 6-8 রিখটার স্কেল।

133) MIC-এর সম্পূর্ণ নাম কী?

উত্তর:- MIC-এর সম্পূর্ণ নাম Mithayl Isocyanate (মিথাইল আইসোসায়ানেট)।

134) UNEP-এর পুরো নাম কী?

উত্তর:- UNEP-এর পুরো নাম United Nations Environment Programme (ইউনাইটেড নেশনস এনভায়রনমেন্ট প্রোগ্রাম)।

135) WHO-এর পুরো নাম কী?

উত্তর:- WHO-এর পুরো নাম World Health Organization (ভাল্ডি হেল্থ অর্গানাইজেশন)।

136) CNG-এর পুরো নাম কী?

উত্তর:- CNG-এর পুরো নাম-Compressed Natural Gas (কম্প্রেসড্ ন্যাচারাল গ্যাস)।

137) মেলানোসিস কাকে বলে?

উত্তর:- অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাবে ত্বকের মেলানিন রঞ্জকের ত্রুটিজনিত রোগ হল মেলানোসিস।

138) মানুষের দেহে অবস্থানকারী তেজস্ক্রিয় পদার্থ কোনগুলি?

উত্তর:- মানুষের দেহে অবস্থানকারী তেজস্ক্রিয় পদার্থ পটাশিয়াম ও তেজস্ক্রিয় কার্বন কণিকা।

139) মহাজাগতিক তেজস্ক্রিয় পদার্থের উদাহরণ কী?

উত্তর:- মহাজাগতিক তেজস্ক্রিয় পদার্থের উদাহরণ হল- কস্মিক রশ্মি।

140) জাগতিক তেজস্ক্রিয় পদার্থ কী?

উত্তর:- জাগতিক তেজস্ক্রিয় পদার্থ হল-ইউরেনিয়াম, থোরিয়াম, রেডিয়াম ইত্যাদি।

141) তেজস্ক্রিয়তা সর্বপ্রথম কে আবিষ্কার করেন?

উত্তর:- তেজস্ক্রিয়তা সর্বপ্রথম আবিষ্কার করেন 1896 খ্রিস্টাব্দে হেনরি বেকারেল।

142) কত খ্রিস্টাব্দে রেডিয়াম আবিষ্কৃত হয়?

উত্তর:- 1902 খ্রিস্টাব্দে রেডিয়াম আবিষ্কৃত হয়।

143) কস্মিক রশ্মির (Cosmic Ray) উৎস কী?

উত্তর:- নিম্ন শক্তিসম্পন্ন কস্মিক রশ্মি উৎপন্ন হয় সূর্য থেকে।

144) তেজস্ক্রিয় কোবাল্ট-60 আইসোটোপের একটি ব্যবহারের উল্লেখ করো।

উত্তর:- মানবদেহে ক্যানসার রোগের চিকিৎসায় তেজস্ক্রিয় কোবাল্ট-60 আইসোটোপ ব্যবহৃত হয়।

145) ‘গ্রিনহাউস প্রভাব’ কাকে বলে?

উত্তর:- ভূপৃষ্ঠের সৌর শক্তি বিকিরিত হয়ে পুরোটা মহাবিশ্বে ফিরে যেতে পারে না। বায়ুমণ্ডলের কার্বন ডাইঅক্সাইড ও অন্যান্য গ্রিনহাউস গ্যাস তা শোষণ করে এবং এর প্রভাবে পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। একে গ্রিনহাউস প্রভাব বলে।

148) গ্রিনহাউস গ্যাস কোনগুলি?

উত্তর:- গ্রিনহাউস গ্যাসগুলি হল-CO₂, CH4. N₂O, CFC, NO. জলীয় বাষ্প ও ট্রপোস্ফিয়ারে থাকা O3 গ্যাস।

147) আবহাওয়া পরিবর্তনের একটি কারণ লেখো?

উত্তর:- আবহাওয়া পরিবর্তনের একটি কারণ হল-গ্রিনহাউস এফেক্ট।

148 বিশ্ব উন্নায়ন কী?

উত্তর:- আবহমণ্ডলের স্তরগুলি ভেদ করে সহজেই চলে আসে ছোটো তরঙ্গদৈর্ঘ্যের সূর্যরশ্মির বিকিরণ। কিন্তু ছোটো থেকে বড়ো তরঙ্গদৈর্ঘ্যের বিকিরিত রশ্মি পুরোটা আবহমণ্ডলে ফিরে না গিয়ে গ্রিনহাউস গ্যাস দ্বারা শোষিত হয়। গ্রিনহাউস গ্যাসগুলির পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ায় পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের উন্নতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। পৃথিবীর এই অবস্থানকে বিশ্ব উন্নায়ন বলা হয়।

149) UV রশ্মি মানুষের শরীরে কী ক্ষতি করে?

উত্তর:- UV রশ্মি মানুষের ত্বকের ক্যানসার সৃষ্টি করে।

150) কিয়োটো প্রোটোকল কোন দেশে স্বাক্ষরিত হয়েছিল?

উত্তর:- জাপানের কিয়োটো শহরে 1997 খ্রিস্টাব্দের ডিসেম্বর মাসে কিয়োটো প্রোটোকল স্বাক্ষরিত হয়।

151) মন্ট্রিল প্রোটোকল কবে স্বাক্ষরিত হয়?

উত্তর) 1987 খ্রিস্টাব্দে কানাডায় ‘মন্ট্রিল প্রোটোকল’ স্বাক্ষরিত হয়।

152) গ্রিনহাউস গ্যাসের একটি মুখ্য উৎসের নাম লেখো।

উত্তর:- গ্রিনহাউস গ্যাসের মুখ্য উৎস হল- শিল্পকারখানা ও তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র।

153) বাতাসে ওজোনের উৎস কী?

উত্তম:- ওজোনস্তরের ক্ষয়ের ফলে বাতাসে ওজোন গ্যাস সৃষ্টি হয়।

154) কস্মিক রশ্মি (Cosmic Ray)-র উৎস কী?

উত্তর:- নিম্ন শক্তিসম্পন্ন কস্মিক রশ্মি উৎপন্ন হয় সূর্য থেকে।

155) কোন বছরে চের্নোবিল শহরে বিপর্যয় ঘটেছিল?

উত্তর:- ইউক্রেনের চেরনোবিল শহরে বিপর্যয় ঘটেছিল 1986 খ্রিস্টাব্দের 24 এপ্রিল।

156) মৃৎক্ষয়ের প্রধান কারণ কী?

উত্তর:- বৃষ্টিপাত, বায়ুপ্রবাহ, বৃক্ষচ্ছেদন অথবা মানুষের কাজকর্মের ফলে মাটির উপরের স্তরের অপসারণ হল মৃৎক্ষয়ের প্রধান কারণ।

157) মৃত্তিকাদূষণের একটি উদাহরণ দাও।

উত্তর:- জমিতে অধিক মাত্রায় অজৈব সার ব্যবহারের ফলে কৃষিজমির উর্বরতা নষ্ট হয়ে যাওয়া মৃত্তিকাদূষণের একটি উদাহরণ।

158) ভারতে ভূমিক্ষয়ের হার কী?

উত্তর:- ভারতে ভূমিক্ষয়ের হার, পৃথিবীর মোট ভূমিক্ষয়ের 18.5 ভাগ।

159) খরা নিয়ন্ত্রণের প্রধান উপায়গুলি কী কী?

উত্তর:- নিম্নলিখিত ব্যবস্থাগুলি গ্রহণ করলে খরা নিয়ন্ত্রণ করা যাবে-(a) কৃত্রিম বনাঞ্চল সৃষ্টি, (b) কৃত্রিম জলাশয় নির্মাণ এবং (c) ভূনিম্নস্থ জলের পরিমাণ বৃদ্ধি করা।

160) আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত থেকে নিঃসৃত একটি গ্যাসের নাম বলো।

উত্তর:- আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত থেকে নিঃসৃত একটি গ্যাস হল- কার্বন ডাইঅক্সাইড।

161) সবচেয়ে ধ্বংসাত্মক প্রাকৃতিক বিপর্যয় কী?

উত্তর:- সর্বাপেক্ষা ধ্বংসাত্মক প্রাকৃতিক বিপর্যয় হল-ভূমিকম্প।

162) কোয়েনা ভূমিকম্প (1986) হওয়ার পিছনে প্রধান কারণ কী?

উত্তর:- হঠাৎ বৃহৎ ভূমিধস নামার ফলে মহারাষ্ট্রের কোয়েনা শহরে ভূমিকম্প হয়।

163) ভূমিকম্প সৃষ্টি হওয়ার একটি কারণ লেখো।

উত্তর:- ভূমিকম্প সৃষ্টি হওয়ার একটি কারণ হল-ধসপ্রবণ এলাকায় বৃহৎ জলাধার নির্মাণ।

164) ‘ভূমিকম্পের তীব্রতা’ বলতে কী বোঝো?

উত্তর:- ‘ভূমিকম্পের তীব্রতা’ বলতে ভূমিকম্পের কম্পন শক্তিকে বোঝায় যা রিখটার স্কেলে ধরা পড়ে।

165) সুনামি’ কী করে সৃষ্টি হয়?

উত্তর:- সমুদ্রের তলদেশে অবস্থিত দুটো টেকটনিক পাতের মধ্যে সংঘর্ষের ফলে সুনামি হয়।

166) ভারতে সুনামির ভয়ংকর প্রভাব কবে দেখা গিয়েছিল?

উত্তর:- ভারতে সুনামির ভয়ংকর প্রভাব দেখা গিয়েছিল 2004 সালের 26 ডিসেম্বর।

167) আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত থেকে নিঃসৃত একটি গ্যাসের নাম বলো।

উত্তর:- আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত থেকে নিঃসৃত একটি গ্যাস হল কার্বন ডাইঅক্সাইড।

168) ভূপাল গ্যাস দুর্ঘটনার মুখ্য কারণ কী ছিল?

উত্তর:- ভূপাল গ্যাস দুর্ঘটনার মুখ্য কারণ হল MIC (মিথাইল আইসোসায়ানেট)।

169) মনুষ্যসৃষ্ট বিপর্যয়ের একটি উদাহরণ দাও।

উত্তর:- মনুষ্যসৃষ্ট বিপর্যয়ের একটি উদাহরণ হল-ভূপালের গ্যাস দুর্ঘটনা।

170) বন্যা প্রতিরোধের একটি ব্যবস্থার উল্লেখ করো।

উত্তর:- বন্যা প্রতিরোধের জন্য বাঁধ, মহাবাঁধ, জলাধার ইত্যাদি নির্মাণ ও সঠিক জল নিষ্কাশন ব্যবস্থা করা হয়।

171) তেজস্ক্রিয়তাজনিত দূষণ প্রতিরোধের একটি উপায় বলো।

উত্তর:- তেজস্ক্রিয়তাজনিত দূষণ প্রতিরোধের একটি উপায় হল-তেজস্ক্রিয় বর্জ্যের সম্পূর্ণ অপসারণে সতর্কতা ও দক্ষতা অবলম্বন করা এবং বর্জ্যগুলিকে বিশেষ পদ্ধতি দ্বারা পুনর্ব্যবহারযোগ্য করে তোলা।

172) তেজস্ক্রিয় কোবাল্ট-60 আইসোটোপের একটি ব্যবহারের উল্লেখ করো।

উত্তর:- মানবদেহে ক্যানসার রোগের চিকিৎসায় তেজস্ক্রিয় কোবাল্ট-60 আইসোটোপ ব্যবহৃত হয়।

173) আণবিক বোমা তৈরিতে কোন্ তেজস্ক্রিয় বর্জ্য ব্যবহার করা হয়?

উত্তর:- আণবিক বোমা তৈরিতে প্লুটোনিয়াম নামক তেজস্ক্রিয় বর্জ্য ব্যবহৃত হয়।

174) ভূমিধস প্রতিরোধের একটি উপায় বলো।

উত্তর:- পাহাড়ি এলাকার বনসৃজন ও ভূমিক্ষয় রোধ করে ভূমিধস প্রতিরোধ করা যায়।

175) ধাতব দূষণের একটি উদাহরণ দাও।

উত্তর:- ধাতব দূষণের উদাহরণ হল জাপানের মিনামাটা শহরে ঘটে যাওয়া বিপর্যয়।

176) MIC গ্যাস মানুষের দেহে কী ক্ষতি করে?

উত্তর:- MIC গ্যাস মানবদেহের ফুসফুসকে এবং চোখের কর্নিয়াকে নষ্ট করে স্নায়ুতন্ত্র ও অনাক্রম্যতাকে বিনষ্ট করে দেয়। 1984 খ্রিস্টাব্দে ভূপালের ইউনিয়ন কার্বাইড থেকে 36 টন MIC গ্যাস বের হয়ে প্রায় 10,000 মানুষের মৃত্যু হয় ও 2 লক্ষ মানুষকে পঙ্গু করে দেয়।

177) EIA কী?

উত্তর:- Environmental Impact Assessment (EIA)। অর্থনৈতিক উদ্যোগ গড়ে তোলার পূর্বে সেই উদ্যোগের প্রভাব পরিবেশের উপর কীভাবে পড়তে পারে তার আগাম হিসেবনিকেশ কিংবা উদ্যোগ গ্রহণের পরবর্তী বা ভবিষ্যৎ প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে মূল্যায়ন সংক্রান্ত হিসেবনিকেশ করার পদ্ধতিকে বলা হয় EIA।

পরিবেশ ও উন্নয়ন Environment and Development PART-3

Leave a Reply