মুসোলিনি ও ফ্যাসিবাদ MUSSOLINI AND FASCISM 1922-1943

মুসোলিনি ও ফ্যাসিবাদ MUSSOLINI AND FASCISM 1922-1943 – বেনিটো মুসোলিনি ছিলেন ইতালীয় ফ্যাসিবাদ আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা এবং একজন একনায়ক। তিনি ইতালির ন্যাশনাল ফ্যাসিস্ট পার্টির নেতৃত্ব দেন এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ইতালির সর্বাধিনায়ক ছিলেন। ফ্যাসিবাদ হলো একটি স্বৈরাচারী, জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক মতাদর্শ, যা ব্যক্তি স্বাধীনতা সীমিত করে এবং একটি শক্তিশালী কেন্দ্রীয় সরকার ও একনায়কের অধীনে সমাজকে নিয়ন্ত্রণ করতে চায়। 

READ MORE – সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের গঠনতন্ত্র (1920-1946)

মুসোলিনি ও ফ্যাসিবাদ MUSSOLINI AND FASCISM 1922-1943

♦ ইতালিতে ফ্যাসিবাদী শক্তির উত্থান:-

ফ্যাসিবাদী শক্তি ও নাৎসীবাদী শক্তি দুটিই একনায়কতন্ত্র মতবাদে বিশ্বাসী। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরপরই ইতালিতে যে আর্থ সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছিল তার ফলস্বরূপ ইতালিতে গণতন্ত্রের দ্বার রুদ্ধ হয়ে যায় এবং ফ্যাসীবাদী শক্তির আত্মপ্রকাশ ঘটে। ত্রিশক্তি মৈত্রীর অন্তর্ভুক্ত হওয়া সত্ত্বেও ইতালি কিন্তু প্রথম বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির বিপক্ষে অংশগ্রহণ করেছিল। ইতালির আশা ছিল অস্ট্রিয়া হাঙ্গেরি থেকে কিছু অংশ যুদ্ধশেষে যুদ্ধের পুরস্কার স্বরূপ মিত্রপক্ষের কাছ থেকে পাবে। সেইমতো ইতালি ১৯১৫ খ্রিস্টাব্দে লন্ডন চুক্তি দ্বারা প্রথম বিশ্বযুদ্ধে যোগদান করে। এই যুদ্ধে ইতালির প্রায় সাত লক্ষ সেনা নিহত ও ১২ লক্ষ সেনা আহত হয় এবং একহাজার কোটি ডলারের বেশি যুদ্ধে ব্যয় হয়।

এমনকি যুদ্ধ শেষে অনেক সেনা ছাঁটাই হয়। ফলে তারা ক্ষোভে ফেটে পড়ে। অন্যদিকে ভার্সাই সন্ধিতে ইতালি যুদ্ধের পুরস্কার স্বরূপ তেমন কিছু না পাওয়ায় সমগ্র ইতালি জুড়ে হতাশা দেখা দেয়। ফলে ইতালিতে প্রতিক্রিয়াশীল নীতির আবির্ভাব ঘটে। বিশ্বযুদ্ধের পর ইতালিতে আর্থিক সংকট দেখা দেয়। বেকারদের চাকরি না হওয়া, শ্রমিক অসন্তোষ, ধর্মঘট, বনধ, হরতাল নিতা নৈমিত্তিক ঘটনায় পরিণত হয়। মিত্রপক্ষে যোগদানকারী ও প্রথম বিশ্বযুদ্ধের জয়ী মুকুটের অংশীদার ইতালির শ্লোগান হয় ‘ইতালি অতৃপ্ত’। এই রকম এক পটভূমিকাকে ইতালিতে বেনিটো মুসোলিনীর উত্থান হয়।

♦ মুসোলিনীর জন্ম ও গ্রামজীবন:-

বেনিটো মুসোলিনী ১৮৮৩ খ্রিস্টাব্দের ২৯ জুলাই উত্তর ইতালির গ্রামেপেদাজিও এক কর্মকার পরিবারে জন্ম হয়। তাঁর পিতা ছিলেন একজন কর্মকার ও মাতা ছিলেন এক শিক্ষিকা। প্রথম জীবনে মুসোলিনী ছিলেন একজন রাজমিস্ত্রী পরবর্তীকালে উচ্চশিক্ষা লাভের জন্য তিনি সুইজারল্যান্ডে পাড়ি দেন। কিন্তু সেখানে সমাজতান্ত্রিক আদর্শ প্রচারের জন্য সেদেশ থেকে বহিষ্কৃত হন। তিনি দেশে ফিরে এসে সমাজতান্ত্রিক মতবাদ প্রচারে বেরিয়ে পড়েন। এরপর তিনি ‘আভস্তি’ বা ‘প্রগতি’ নামক এক সমাজতান্ত্রিক পত্রিকায় সম্পাদনা করেন। ইতিমধ্যে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হলে তিনি ইতালির যুদ্ধে যোগদানের পক্ষে মত প্রকাশ করেন। ১৯১৫ খ্রিস্টাব্দে ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের মধ্যে স্বাক্ষরিত গোপন নকশা চুক্তি দ্বারা ট্রেনটিনো, টায়রনা, ডামলেলিয়া প্রভৃতি ভূখণ্ড পাবার আশায় ইতালি যুদ্ধে যোগদান করে। মুসোলিনীও ইতালির হয়ে সৈনিক হিসাবে যুদ্ধে যোগদান করে আহত অবস্থায় দেশে ফিরে আসেন।

             প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরবর্তীকালে শোচনীয় আর্থিক দুর্দশা সমগ্র ইতালিকে গ্রাস করে। ধর্মঘট, দাঙ্গা-হাঙ্গামা, জমিদারদের ভূসম্পত্তি দখল, মূল্যবৃদ্ধি, বেকারত্ব প্রভৃতি নানাবিধ সমস্যার পাশাপাশি ইতালিতে সমাজতান্ত্রিক ভাবধারা জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। শ্রমিক ও বেকাররা সমাজতান্ত্রিক দলে যোগ দিতে থাকে। রাজনৈতিক এই অরাজকতার সুযোগে মুসোলিনী ‘ইতালির জনগণ’ (‘The Italia People’) নামক এক পত্রিকায় মুসোলিনী দেশবাসীর উদ্দেশ্যে ঘোষণা করেন যে একমাত্র একক নেতাই পারে ইতালির ওই ঘোরতর সমস্যার সমাধান করতে।

মুসোলিনি ও ফ্যাসিবাদ MUSSOLINI AND FASCISM (1922-1943)

♦ ফ্যাসিস্ট দল ঘোষণা:-

উপরিউক্ত প্রেক্ষাপটে তিনি প্রথম বিশ্বযুদ্ধ থেকে ফেরৎ ১১৮ জন বেকার সৈনিকদের নিয়ে এক রাজনৈতিক দল গঠন করেন যা ফ্যাসী দ্য কম্বাটিমেন্টো নামে পরিচিত এই দলের সদস্যরা ফ্যাসিস্ট নামে পরিচিত হন। ফ্যাসিস্ট শব্দের অর্থ দড়ি বাঁধা-কাষ্ঠ দণ্ড যা প্রাচীন রোমের রাজশক্তির প্রতীক প্রাচীন রোমের রাজারা এটিকে ব্যবহার করতেন। ফ্যাসিস্ট দলের অনুগামীরা কালো জামা পড়তো বলে তাদের Black Shirts বলা হত।

♦ ফ্যাসিবাদের মূলকথা:-

ফ্যাসিবাদের মূলকথা হল রাষ্ট্রই সমস্ত শক্তির উৎস রাষ্ট্রের বাইরে আলাদা কোন কিছুর অস্তিত্ব নেই। এমনকি রাষ্ট্রের বিরুদ্ধেও কোন কিছু নেই। এই দলের লক্ষ ছিল নতুন জাতীয় সভা গঠন। ইতালির সমস্ত চার্চের সম্পত্তি রাষ্ট্রীয়করণ করা, ইতালির প্রতিটি কলকারখানার শ্রমিকদের কাজের সর্বোচ্চসীমা আট ঘণ্টা করা ভার্সাই চুক্তির সংশোধন করে ইতালির পাওয়া কড়ায় গণ্ডায় বুঝে নেওয়া।

♦ ফ্যাসিস্ট দলের লক্ষ্য:-

মুসোলিনী ছিলেন ফ্যাসিস্ট দলের প্রধান নেতা। তিনি তাঁর দলের যে লক্ষ্যগুলি স্থির করেছিলেন সেগুলি হল-

 (১) রাষ্ট্রই সমস্ত শক্তির উৎস। রাষ্ট্রের বাইরে কিছুরই অস্তিত্ব নেই।

(২) রাষ্ট্রে বসবাসকারী ব্যক্তির আলাদা কোন মূল্য নেই। রাষ্ট্রের মর্যাদা বৃদ্ধিই ব্যক্তিজীবনের মূল লক্ষ্য।

(৩) বিশ্বসভায় ইতালির সম্মানজনক আসন পাবার জন্য একটি সুদৃঢ় বিদেশ নীতির প্রয়োজন।

(৪) সমাজতান্ত্রিকদের প্রভাব থেকে ব্যক্তিগত বিষয়সম্পত্তি ও দেশকে রক্ষা করা।

♦ ফ্যাসিস্ট দলের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি:-

ফ্যাসিস্ট দল গঠিত হওয়ার পর অল্পসময়েই এই দলের সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। কিছুদিনের মধ্যেই ইতালির ৭০টি শহরে এই দলের শাখা স্থাপিত হয়। এরপর ১৯২১ খ্রিস্টাব্দের ইতালির সাধারণ নির্বাচনে ফ্যাসিস্ট দল প্রথম অংশ গ্রহণ করে। নিরস্তুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলেও ফ্যাসিস্ট দল ওই নির্বাচনে ৩৫টি আসন লাভ করে। যা মুসোলিনীর উত্থানের পথকে প্রশস্ত করে।

♦ মুসোলিনীর জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি:-

নির্বাচনে ৩৫টি আসন দখলের পর মুসোলিনীর আকাঙ্ক্ষা বৃদ্ধি পায়। তিনি সমাজতন্ত্রী ও ইতালির অন্যসমস্ত রাজনৈতিক দলের ওপর পেশি শক্তির প্রয়োগ করে এক ভীতিময় পরিবেশের সৃষ্টি করেন। পূর্বের মন্ত্রীসভাগুলির সমস্যা সমাধানে ব্যর্থতার জন্য ইতালির শিল্পপতিসহ ধনী ব্যক্তিরা অর্থ সাহায্য করতে থাকে। ইতালির সাধারণ মানুষও তাঁকে রক্ষাকর্তা হিসাবে মনে করতে থাকে। এই পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে মুসোলিনী রোম অভিযানের পরিকল্পনা করেন।

♦ মুসোলিনীর রোম অভিযান ও ক্ষমতা দখল:-

১৯২২ খ্রিস্টাব্দের অক্টোবর মাসে মুসোলিনী সারাদেশে এক আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি করেন এরপর তিনি ইতালির রাজধানী রোম দখলের পরিকল্পনা করেন। ইতালির তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ফ্যাক্ট। একটি সামরিক আইন’ জারি করে মুসোলিনীর রোম দখল প্রতিহত করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু ইতালির তৎকালীন রাজা তৃতীয় ভিক্টর ইমানুয়েল এতে যুক্ত হওয়ায় ফ্যাক্টা মন্ত্রীসভা থেকে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। ৩০ অক্টোবর ১৯২২ খ্রিস্টাব্দে তৃতীয় ভিক্টর ইমানুয়েলের আহ্বানে সাড়া দিয়ে তিনি ইতালির প্রধানমন্ত্রীর পদ গ্রহণ করেন।

              ১৯২৬ খ্রিস্টাব্দে ইতালিতে যে সাধারণ নির্বাচন হয় সেই নির্বাচনে তিনি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেন। ফলে ইতালিতে শুরু হয় একদলীয় শাসন ব্যবস্থা। ইতালির জন্য নতুন সংবিধান রচনা করা হয়। তিনি ‘ইল দুচে’ বা ‘জননায়ক’ উপাধি গ্রহণ করেন। অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলির বিলুপ্তি ঘটিয়ে তিনি ফ্যাসিস্ট দলকেই ইতালির একমাত্র দল হিসাবে মর্যাদা দেন। এই সময় সাধারণ মানুষের বাক্ স্বাধীনতা রদ করা হয়। শিল্প ও অন্যান্য সরকারি প্রতিষ্ঠান ফ্যাসিবাদীদের নিয়ন্ত্রণে আসে।

♦ মুসোলিনীর সংস্কারমুখী কর্মসূচি:-

ক্ষমতা দখলের সঙ্গে সঙ্গে তিনি বেশ কিছু সংস্কার মুখী কর্মসূচি নেন। প্রথমেই তিনি সরকারি ব্যয় হ্রাস করেন। শ্রমিকদের সুচিকিৎসা ও বিমার ব্যবস্থা করেন। রেল, বিমান, বিদ্যুৎ প্রভৃতি শিয়ের অভাবনীয় উন্নতি হয়।

♦ পোপের সঙ্গে মুসোলিনীর সমঝোতা:-

সুচতুর মুসোলিনী তাঁর ক্ষমতা সুদৃঢ় করতে ইতালির ধর্মীয় ভাবাবেগকে কাজে লাগান। আর এরই ফল হল ল্যাটেরান চুক্তি। তিনি ১৯২৯ খ্রিস্টাব্দে পোপের সঙ্গে এই চুক্তি করেন। এই চুক্তি অনুসারে রোমের ক্যাথলিক ধর্ম, ইতালির রাষ্ট্রীয় ধর্ম হিসাবে স্বীকৃতি লাভ করে এবং পোপ ধর্মীয় ব্যাপারে চূড়ান্ত ক্ষমতার অধিকারী হন।

♦ মুসোলিনীর পররাষ্ট্র নীতি:-

ইতালির পররাষ্ট্রনীতির মূল লক্ষ্যই ছিল সাম্রাজ্যবাদী নীতি গ্রহণ করে ইতালির মর্যাদাকে বিশ্বসভায় পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা। তিনি বলতেন আন্তর্জাতিক শান্তি হল কাপুরুষের স্বপ্ন, আর সাম্রাজ্যবাদ ও যুদ্ধ নীতি হল একটি জাতীয় পরিপূর্ণতার প্রমাণ। তিনি ইতালিকে জগৎ সভায় একটি শক্তিশালী রাষ্ট্র হিসাবে দেখতে চেয়েছিলেন।

♦ মুসোলিনীর বিস্তারধর্মী পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণের কারণ:-

ইতালি মূলত চারটি কারণে তার এই বিস্তার ধর্মী পররাষ্ট্র নীতি নিয়েছিল যথা- (ক) ইতালির জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছিল, সেই জনসংখ্যার জন্য বাসস্থান চিহ্নিতকরণ। (খ) ইতালির জনগণের খাদ্যের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করণ। (গ) ইতালির শিল্প কারখানাগুলির জন্য কাঁচামাল সংগ্রহ এবং (ঘ) উৎপাদিত দ্রব্যের বাজার সন্ধান।

♦ মুসোলিনীর আবিসিনিয়া দখল:-

ইতালির নগ্ন সাম্রাজ্যবাদী চিন্তাধারার বহিঃপ্রকাশ দেখা যাচ্ছিল। আবিসিনিয়া দখলের মাধ্যমে ১৯৩৪ খ্রিস্টাব্দের ৫ ডিসেম্বর আবিসিনিয়া ও সোমালিল্যান্ড সীমান্তে অবস্থিত ওয়ালওয়াল গ্রামে ইতালি ও আবিসিনিয়ার সৈন্যদের মধ্যে এক যুদ্ধে কিছু ইতালিৎও সেনা নিহত হলে মুসোলিনী, আবিসিনিয়ার সম্রাট হাইলেসেলম্পি কাছে প্রচুর পরিমাণে ক্ষতিপূরণ দাবি করে। আবিসিনিয়া, ইতালির এই আগ্রাসনের বিরুদ্ধে জাতিসংঘের কাছে আবেদ জানায়।

ইতিমধ্যে ১৯৩৫ খ্রিস্টাব্দের ৩ অক্টোবর মুসোলিনী আবিসিনিয়া আক্রমণ করে। জাতিসংঘ ইতালিকে আক্রমণকা দেশ হিসাবে ঘোষণা করে। আক্রমণ বন্ধের নির্দেশ দিলেও ইতালি তার অবস্থানে অনড় থাকে। লীগ ইতালির বিরুে আর্থিক অবরোধ জারি করে কিন্তু ইংল্যান্ড ও ফ্রান্স জাতিসংঘের প্রধান দুই স্তম্ভ হওয়া সত্ত্বেও তার নির্দেশ পালনে কোন সদিচ্ছা দেখায়নি। ইংল্যান্ড, ইতালিকে তেল ও কয়লা সরবরাহ অব্যাহত রাখে। ফলে ৯ মে ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দে ইতালি সমগ্র আবিসিনিয়া দখল করে নেয়।

♦ ফলাফল:-

আবিসিনিয়া দখলের ফল হয়েছিল সুদূরপ্রসারী। কারণ এর ফলে লীগের সঙ্গে মুসোলিনীর সম্পর্কের চিড় ধরে। তাই ইতালি জাতিসংঘ ত্যগ করে। হিটলার, মুসোলিনীকে সমর্থন করলে উভয়ের মধ্যে সুসম্পর্ক স্থাপিত হয়। মুসোলিনীরও সাম্রাজ্যবাদী স্পৃহাবৃদ্ধি পায় ও বিশ্বে ফ্যাসিবাদী শক্তিজোট গঠনের পথ প্রশান্ত হয়। এমনকি স্পেনের গৃহযুদ্ধেও দেখা যায় যে হিটলার ও মুসোলিনী একযোগে স্পেনের নায়ক ফ্রাঙ্কোকে সমর্থন করতে থাকে। ফলে স্পেনে ফ্রাঙ্কোর জয় সুনিশ্চিত হয়। মুসোলিনীর এই সাম্রাজ্যবাদ নীতি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অন্যতম কারণ।

মুসোলিনি ও ফ্যাসিবাদ (MUSSOLINI AND FASCISM)

Leave a Reply